Barta7

News Portal

ঈদে অনেক রান্নার ঝক্কি যেভাবে কমাবেন

ঈদে প্রিয়জনদের পাতে সেরা খাবারটাই তুলে দিতে চান।

ঈদে প্রিয়জনদের পাতে সেরা খাবারটাই তুলে দিতে চান। অতিথি আপ্যায়নেও রাখেন না কোনো ত্রুটি। কিন্তু হরেক রকম পদের ব্যবস্থা করাটা চাট্টিখানি কথা নয়। ঈদের দিন সব করতে গেলে হুড়োহুড়ি লেগে যাবে, নিজের ওপর পড়বে বাড়তি চাপ। কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে ঈদের রান্নার ঝক্কি কমিয়ে আপনিও আনন্দে যোগ দিতে পারেন। রন্ধনবিদ দিল আফরোজ-এর সঙ্গে কথা বলে এসব নিয়েই লিখেছেন রাফিয়া আলম

ঈদের আয়োজন মানে তো কেবল ঈদের দিনটাই নয়; ঈদের পরও বেশ কয়েক দিন থাকে উৎসবের আমেজ। হুট করে অতিথি আসেন। চাঁদরাতেও বন্ধুদের নিয়ে বাড়িতে বসতে পারে আড্ডা। আর প্রাণবন্ত আড্ডা মানেই সঙ্গে হালকা কিছু খাবারদাবার।
এই কয়টা দিনের জন্য আগে থেকে কিছু প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে পারেন। আর কিছু কাজ পরিবারের সবাই মিলে ভাগ করে নেওয়া প্রয়োজন, যাতে একজনের ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে।

সকালের নাশতা

আগের রাতেই তৈরি করে রাখতে পারেন পরোটা বা রুটির ডো। এ জন্য বাটিতে ডো রেখে ভেজা কাপড় দিয়ে জড়িয়ে ফ্রিজে রাখুন। নাশতা তৈরির কাজটা আরও সহজ করতে পরোটা বা রুটিও আগে তৈরি করে রাখতে পারেন। তৈরির পর গরম তাওয়ায় অল্প সময়ের জন্য দুপাশ সেঁকে ঠান্ডা হলে জিপার ব্যাগে সংরক্ষণ করুন। এই পরোটা বা রুটি ফ্রিজে রাখলে এক-দুই দিন ভালো থাকবে, ডিপ ফ্রিজে ভালো থাকবে মাসখানেক।

সকালের নাশতা

কাবাব, রোল, চপ, শাশলিক প্রভৃতি চাইলে দু-তিন সপ্তাহ আগেই তৈরি করে ডিপফ্রিজে রেখে দিতে পারেন।

  • কাবাব তৈরির পর ট্রেতে করে ডিপফ্রিজে রাখুন শক্ত হয়ে যাওয়া পর্যন্ত। এরপর বের করে জিপার ব্যাগ বা বক্সে ভরে তুলে রাখুন।
  • রোল বা চপ তৈরির পর কর্নফ্লাওয়ার ও ব্রেডক্রাম্বে গড়িয়ে জিপার ব্যাগ বা বক্সে তুলে রাখুন।
  • শাশলিকের জন্য সব মসলার মিশ্রণ তৈরি করে তাতে মাংস মেখে কাঠিতে গেঁথে বায়ুরোধী বক্সে রেখে দেওয়া যায়।

Together, we’re shaping the future of the web.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *